শিশুরা মারামারির পরপরই সঙ্গীটির সঙ্গে ঝগড়া মিটিয়ে ভাব করে নিতে পারে। কিন্তু কিছু শিশুর আক্রমণাত্মক প্রবণতা অভিভাবকদের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হতে পারে। প্রায় নিয়মিত মারামারিতে অংশগ্রহণ করে এমন শিশু এক ধরনের মানসিক রোগে (কন্ডাক্ট ডিজঅর্ডার) আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারে।
বিভিন্ন সমস্যা অন্যদের ঠিকমতো বোঝাতে না পারলে, আত্মবিশ্বাসের অভাবে ভুগলে, বাবা-মায়ের প্রতি রাগ বা অভিমান হলে অথবা তাঁদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য শিশুরা নানা অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ করতে পারে। এছাড়া টিভিতে মারামারি ও হিংসাত্মক কার্টুন বা অনুষ্ঠান বেশি দেখলে বা পারিবারিক নির্যাতন নিয়মিত প্রত্যক্ষ করলে শিশুর মনোজগতের বিরাট ক্ষতি হয়। পরিণামে শিশুটি হিংস্র হয়ে উঠতে পারে।
এসব ক্ষেত্রে শিশুকে ভালো-মন্দ বুঝিয়ে বলুন, আচরণ পরিবর্তনের সুযোগ দিন। সে কোন মানসিক চাপে রয়েছে কি না, জানার চেষ্টা করুন।
Ref:
ডাক্তার মুনতাসির মারুফ
জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট
সকালের নাস্তা নাকি সারাদিনের পুষ্টির যোগান দেয়। অনেক শিশু সকালে খেতেও চায় না। এ বিড়ম্বনা…
খেলাধুলা, দুষ্টমি, হৈ-হুল্লোড় করে বাড়ি মাতিয়ে রাখবে- তাহলেই না বুঝবো বাসায় একটা বাচ্চা আছে। চুপচাপ,…