সকালের নাস্তা নাকি সারাদিনের পুষ্টির যোগান দেয়। অনেক শিশু সকালে খেতেও চায় না। এ বিড়ম্বনা থেকে রেহাই দিতেই সকালে শিশুর নাস্তা কি ধরনের হতে পারে জানালেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডক্টর খালেদা ইসলাম।
যখন তিন থেকে পাঁচ – এ বয়সের বাচ্চারা সকালে সাধারণত দুধ খেয়েই স্কুলে যায়। তবে পুষ্টির কথা চিন্তা করলে রেসিপি-১ খেতে পারে।
রেসিপি-১
কর্নপ্লেক্স + দুধ + চিনি
একটা মৌসুমী ফল – কলা, পাকা পেঁপে, কমলা বা আপেল।
বা
লালাটার রুটি + ডিম + ভাজি / ডাল চচ্চড়ি, সঙ্গে যেকোনো একটি ফল।
বয়স যখন পাঁচ থেকে বারো – পাঁচ থেকে বারো বছরের শিশুর ক্ষেত্রে নাস্তাটা একটু ভারী হতে হবে। অনেক শিশু সকালে খিচুড়ি খেতে চায়না, তারা লালা আটার রুটি দুটি খেতে পারে।
বা
রুটি দুটি + ডিম + ভাজি / ডাল চচ্চড়ি + একটি ফল
অথবা
রেসিপি-২
খিচুড়ি + ডিম + ভাজি / ডাল + একটি ফল
টিফিন
টিফিনে শিশুরা মজার কিছু খেতে চায়। লালা আটা রুটি + চিকেন ফ্রাই + ফল
অথবা
বাটার দেওয়া বনরুটি + ডিম সেদ্ধ + ফল
টিপস
- শিশুদের নাস্তায় বৈচিত্র আনতে চেষ্টা করুন।
- টিফিন খাওয়ার ক্ষেত্রে হাত ধুয়ে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
- অনেক বাচ্চাই সকালে নাস্তা করতে চাই না। জোর করে হলেও বাচ্চার নাস্তা খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন ।